এম এ হোবাইব সজিব::
কক্সবার্তা ডট কম।।
চকরিয়া উপজেলার বদরখালী উপকূলে লবণের বাম্পার উৎপাদনের ধুম পড়েছে। জেলার সব উপকূলীয় এলাকার লবণ মাঠে চাষিরা লবণের সঠিক দাম পেলে ও বদরখালী লবণ মাঠে উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন বলে লবণ চাষিদের অভিযোগ। বদরখালী লবণ চাষি নুরুল আলম বলেন, বিদেশ থেকে লবণ আমদানির কারণে এত দিন তাঁরা মাঠে উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পায়নি।
গত কয়েক মাস ধরে সরকার লবণ আমদানি বন্ধ ঘোষণা দিলে মাঠে উৎপাদিত লবণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে অন্যন্য লবণ মাঠে এখন প্রতি মণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। বদরখালী বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। লবণের ন্যায্য মূল্য দাবি চাষিদের।
অপরদিকে বদরখালী লবণ শিল্পকে ধবংসের পায়তারায় মাঠে নেমেছে প্রভাবশালী চার দালাল সিন্ডিকেট বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, বদরখালী সমিতির ১নং লটারী ঘোনা, পশ্চিম নতুন ঘোনা, অন্যান্য লবণ মাঠে এ চার দালাল সিন্ডিকেট করে লবণের ন্যায মূল্য দি"েছনা লবণ চাষিদের। সরকারের নির্ধারণ করা প্রতি মণ সাদা লবণ বিক্রি হ"েছ মাঠে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। অথচ বদরখালী এসব লবণ মাঠে চাষিদের উক্ত দালাল সিন্ডিকেট বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নয় ছয় করে তাদেরকে সাদা লবণ মণ প্রতি দাম দিচ্ছেন ২'শ থেকে ২'শ ২০ টাকা পর্যন্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন লবণ চাষি জানান, উক্ত দালাল সিন্ডিকেটের কাছে এসব মাঠের লবণ চাষিরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাশ্ববর্তী উপকূলীয় ইউনিয়ন দরবেশকাটা এলাকার লবণ মাঠে সাদা লবণ বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ২'শ ৫০ থেকে সাড়ে ২'শ ৬০ টাকায়। অথচ বদরখালী লবণ মাঠে তার উল্টো।
শুক্রবার সকালে সরেজমিন বদরখালী লবণ মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, হাজার হাজার একর জমিতে চাষিরা সমুন্দ্রের লোনা পানি ঢুকিয়ে সূর্য তাপে সেই পানি শুকিয়ে উৎপাদন করছেন সাদা সোনা খ্যাত লবণ। বিকেলে সেই লবণ চাষিরা ঘরে তুলছেন। অথচ মাথার ঘাম পাঁয়ে পেলে কষ্টে অর্জিত লবণের সঠিক দাম পাচ্ছেনা।
অত্র এলাকার লবণ চাষিরা। তারা ক্ষোভ আর হতাশায় ভোগছেন। তাই সংশ্লিষ্ট লবণ চাষিরা লবণের ন্যায মূল্য নিশ্চিত করার জন্য বিসিক কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকতাদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে সরকার লবণ আমদানি বন্ধ ঘোষণা দিলে মাঠে উৎপাদিত লবণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে অন্যন্য লবণ মাঠে এখন প্রতি মণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। বদরখালী বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। লবণের ন্যায্য মূল্য দাবি চাষিদের।
অপরদিকে বদরখালী লবণ শিল্পকে ধবংসের পায়তারায় মাঠে নেমেছে প্রভাবশালী চার দালাল সিন্ডিকেট বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, বদরখালী সমিতির ১নং লটারী ঘোনা, পশ্চিম নতুন ঘোনা, অন্যান্য লবণ মাঠে এ চার দালাল সিন্ডিকেট করে লবণের ন্যায মূল্য দি"েছনা লবণ চাষিদের। সরকারের নির্ধারণ করা প্রতি মণ সাদা লবণ বিক্রি হ"েছ মাঠে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। অথচ বদরখালী এসব লবণ মাঠে চাষিদের উক্ত দালাল সিন্ডিকেট বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নয় ছয় করে তাদেরকে সাদা লবণ মণ প্রতি দাম দিচ্ছেন ২'শ থেকে ২'শ ২০ টাকা পর্যন্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন লবণ চাষি জানান, উক্ত দালাল সিন্ডিকেটের কাছে এসব মাঠের লবণ চাষিরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাশ্ববর্তী উপকূলীয় ইউনিয়ন দরবেশকাটা এলাকার লবণ মাঠে সাদা লবণ বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ২'শ ৫০ থেকে সাড়ে ২'শ ৬০ টাকায়। অথচ বদরখালী লবণ মাঠে তার উল্টো।
শুক্রবার সকালে সরেজমিন বদরখালী লবণ মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, হাজার হাজার একর জমিতে চাষিরা সমুন্দ্রের লোনা পানি ঢুকিয়ে সূর্য তাপে সেই পানি শুকিয়ে উৎপাদন করছেন সাদা সোনা খ্যাত লবণ। বিকেলে সেই লবণ চাষিরা ঘরে তুলছেন। অথচ মাথার ঘাম পাঁয়ে পেলে কষ্টে অর্জিত লবণের সঠিক দাম পাচ্ছেনা।
অত্র এলাকার লবণ চাষিরা। তারা ক্ষোভ আর হতাশায় ভোগছেন। তাই সংশ্লিষ্ট লবণ চাষিরা লবণের ন্যায মূল্য নিশ্চিত করার জন্য বিসিক কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকতাদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
