মনির আহমদ :
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মালুমঘাট মেমোরিয়াল খৃষ্টান হাসপাতালের চতুপার্শে কয়েক হাজার পাকা, আধা পাকা ও কাচা হাঙ্গামা ঘর নির্মান হয়েছে। এসব বাড়ী ওয়ালার কাছে এক হাজার একর বনভূমির দখল বিক্রি হয়েছে গত ২বছরে। অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বন রেঞ্জ কর্মকর্তা এবি এম জসিম উদ্দিন ও বনবিট কর্মকর্তা সাব্বির আহমদ কতিপয় সরকারী দলের প্রভাবশালী নেতা ও ক্যাডার বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে একর প্রতি ২ল টাকা থেকে কোটি টাকা মুল্যে বনভূমির দখল বিক্রি করেছে। ওই বনভূমিতে ক্রেতারা রাতারাতি গড়ে তুলছে বহুতল বসত বাড়ী ও আবাসিক বাণিজ্যিক ভবন। মাদার ট্রী গর্জন গাছের ফাঁকে ফাঁকে দালান বাড়ী তৈরী করার পর নির্মানকরা বাড়ীর ঝুঁকি এড়ানোর জন্য প্রতিনিয়ত কেটে বিক্রি করা হচ্ছে মাদার ট্রী গর্জনগাছ। বনভূমি থেকে যাতে উচ্ছেদ করা না যায় সে ল্েয নানা রকম কৌশল অবলম্বন করছেন তারা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাছিনার নাম ব্যবহার করে হাছিনা পাড়া নাম দিয়ে বনের ভিতর গড়ে তুলেছে মিনি শহর। একটি সুত্র জানায়, হাছিনা পাড়া নাম করনের পরামর্শটি ছিল বনরেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম জসিম উদ্দিনের। পাড়ার স্থায়ীত্বের জন্য বন খেকো ওই রেঞ্জ কর্মকর্তা ওখানে স্কুল,মসজিদ ও মাদ্রাসার পাকা স্থাপনা তৈরী শুরু করেছেন।
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: মালুমঘাট বনের ভিতর মিনি শহর
Rating: 5
Reviewed By: Unknown