দেশ বার্তা:
কক্সবার্তা ডট কম।।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, জামায়াত-শিবির গাইবান্ধা ১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লিটনের মরদেহ দেখতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
নানক বলেন, 'জামায়াত শিবির জঙ্গিগোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। লিটন যে এলাকার এমপি তা জামায়াত শিবিরের ঘাঁটি ছিল। সেই ঘাঁটি ভেঙে জনগণের ভালোবাসা নিয়ে সে এমপি নির্বাচিত হয়েছিল। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে।'
রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকসহ দলের আরও বেশকিছু নেতাকর্মী এসময় তার সঙ্গে ছিলেন। লিটনকে হত্যার খবর পেয়ে নানক ঢাকা থেকে রংপুরে যান।
নানক আরও জানান, ময়না তদন্তের পর রংপুরে লিটনের প্রথম নামাজে জানাজা হবে। রবিবার দুপুরের পর হেলিকপ্টারে করে লিটনের লাশ ঢাকায় নেওয়া হবে। লিটনের লাশ রাতে হিমঘরে রাখা হবে। সোমবার সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে সোমবারই লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আবার জানাজা হবে। পরে তাকে গ্রামেই দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে লিটনকে তার বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নানক বলেন, 'জামায়াত শিবির জঙ্গিগোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। লিটন যে এলাকার এমপি তা জামায়াত শিবিরের ঘাঁটি ছিল। সেই ঘাঁটি ভেঙে জনগণের ভালোবাসা নিয়ে সে এমপি নির্বাচিত হয়েছিল। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে।'
রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকসহ দলের আরও বেশকিছু নেতাকর্মী এসময় তার সঙ্গে ছিলেন। লিটনকে হত্যার খবর পেয়ে নানক ঢাকা থেকে রংপুরে যান।
নানক আরও জানান, ময়না তদন্তের পর রংপুরে লিটনের প্রথম নামাজে জানাজা হবে। রবিবার দুপুরের পর হেলিকপ্টারে করে লিটনের লাশ ঢাকায় নেওয়া হবে। লিটনের লাশ রাতে হিমঘরে রাখা হবে। সোমবার সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে সোমবারই লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আবার জানাজা হবে। পরে তাকে গ্রামেই দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে লিটনকে তার বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
