বিদেশ বার্তা:
কক্সবার্তা ডট কম।।
খ্রিস্টীয় নববর্ষে যুক্তরাষ্ট্রবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যে বিভক্তির রাজনৈতিক সূত্র প্রয়োগ করে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে এনেছেন, নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও বিভাজনের সেই রাজনীতি অক্ষুণ্ন রেখেছেন তিনি। শুভেচ্ছা বক্তব্যে নিজের শত্রু আর পরাজিতদের প্রসঙ্গ আলাদা করে উল্লেখ করেছেন তিনি। শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তাদের প্রতি খানিকটা ব্যঙ্গ করতেও ভোলেননি তিনি।
আর ২০ দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে যাওয়া ট্রাম্প ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ শুরুর কিছু সময় আগে শনিবার সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি টুইট করেন। টুইটের শুভেচ্ছা বাতর্কায় তিনি বলেন: 'সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। তাদেরকেও শুভেচ্ছা যারা আমার শত্রু এবং যারা আমার সঙ্গে লড়াই করতে এসে শোচনীয়ভাবে হেরে এখন বুঝতে পারছে না তাদের কী করা উচিত'।
বাংলাদেশ সময় রবিবার সকাল ৮টায় তার এই টুইটে লাইক পড়ে ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি; রিটুইট হয় ৪৬ হাজার ৭৫৭ বার।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনি প্রচারণার সময় 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' শ্লোগানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের বাসনাকে নির্বাচনি রেটরিক বানিয়ে তুমুল আলোচিত ও সমালোচিত হন। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে মেক্সিকান, মুসলমান, নারী, সমকামীসহ বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্থান দিয়ে বিভক্তিকে সামনে আনতে সমর্থ হন তিনি। যা বিশ্বব্যাপী নতুন মার্কিন স্বর আকারে সাড়া জাগায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে চলতি বছরের 'পারসন অব দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তাকে 'বিভক্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট' (প্রেসিডেন্ট অব দ্য ডিভাইডেড স্টেটস অব আমেরিকা) হিসেবে আখ্যা দিয়েছে টাইম। ৭ ডিসেম্বর ২০১৬ বুধবার সাময়িকীটির বিচারক প্যানেল এ ঘোষণা দেয়। মার্কিন রাজনীতিতে ঝড়ের বেগে 'পরিবর্তন' আনায় তাকে এ খেতাব দেওয়া হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ন্যান্সি গিবস বলেন, 'এমন অস্বাভাবিক পন্থায় ছলে-বলে বছরের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেছেন; এমন কাউকে এর আগে দেখেছি বলে আমার মনে হয় না।'
ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনি প্রচারণার সময় 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' শ্লোগানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের বাসনাকে নির্বাচনি রেটরিক বানিয়ে তুমুল আলোচিত ও সমালোচিত হন। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে মেক্সিকান, মুসলমান, নারী, সমকামীসহ বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্থান দিয়ে বিভক্তিকে সামনে আনতে সমর্থ হন তিনি। যা বিশ্বব্যাপী নতুন মার্কিন স্বর আকারে সাড়া জাগায়।
উল্লেখ্য, টাইম ম্যাহাজিন প্রতিবছর শীর্ষ একজন ব্যক্তিকে নির্বাচন করেন যিনি ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী বছরে সংবাদ জগতকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছেন। এই সেরা ব্যক্তিকে চূড়ান্ত অর্থে টাইম ম্যাগাজিনের সম্পাদক নিজেই মনোনীত করেন। পাঠক জরিপের মধ্য দিয়ে কেবল জনপরিসরের ভাবনাটাই সামনে আনা হয়।
আর ২০ দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে যাওয়া ট্রাম্প ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ শুরুর কিছু সময় আগে শনিবার সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি টুইট করেন। টুইটের শুভেচ্ছা বাতর্কায় তিনি বলেন: 'সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। তাদেরকেও শুভেচ্ছা যারা আমার শত্রু এবং যারা আমার সঙ্গে লড়াই করতে এসে শোচনীয়ভাবে হেরে এখন বুঝতে পারছে না তাদের কী করা উচিত'।
বাংলাদেশ সময় রবিবার সকাল ৮টায় তার এই টুইটে লাইক পড়ে ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি; রিটুইট হয় ৪৬ হাজার ৭৫৭ বার।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনি প্রচারণার সময় 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' শ্লোগানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের বাসনাকে নির্বাচনি রেটরিক বানিয়ে তুমুল আলোচিত ও সমালোচিত হন। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে মেক্সিকান, মুসলমান, নারী, সমকামীসহ বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্থান দিয়ে বিভক্তিকে সামনে আনতে সমর্থ হন তিনি। যা বিশ্বব্যাপী নতুন মার্কিন স্বর আকারে সাড়া জাগায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে চলতি বছরের 'পারসন অব দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তাকে 'বিভক্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট' (প্রেসিডেন্ট অব দ্য ডিভাইডেড স্টেটস অব আমেরিকা) হিসেবে আখ্যা দিয়েছে টাইম। ৭ ডিসেম্বর ২০১৬ বুধবার সাময়িকীটির বিচারক প্যানেল এ ঘোষণা দেয়। মার্কিন রাজনীতিতে ঝড়ের বেগে 'পরিবর্তন' আনায় তাকে এ খেতাব দেওয়া হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ন্যান্সি গিবস বলেন, 'এমন অস্বাভাবিক পন্থায় ছলে-বলে বছরের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেছেন; এমন কাউকে এর আগে দেখেছি বলে আমার মনে হয় না।'
ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনি প্রচারণার সময় 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' শ্লোগানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের বাসনাকে নির্বাচনি রেটরিক বানিয়ে তুমুল আলোচিত ও সমালোচিত হন। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে মেক্সিকান, মুসলমান, নারী, সমকামীসহ বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্থান দিয়ে বিভক্তিকে সামনে আনতে সমর্থ হন তিনি। যা বিশ্বব্যাপী নতুন মার্কিন স্বর আকারে সাড়া জাগায়।
উল্লেখ্য, টাইম ম্যাহাজিন প্রতিবছর শীর্ষ একজন ব্যক্তিকে নির্বাচন করেন যিনি ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী বছরে সংবাদ জগতকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছেন। এই সেরা ব্যক্তিকে চূড়ান্ত অর্থে টাইম ম্যাগাজিনের সম্পাদক নিজেই মনোনীত করেন। পাঠক জরিপের মধ্য দিয়ে কেবল জনপরিসরের ভাবনাটাই সামনে আনা হয়।
