এইচ এম রুহুল কাদের,চকরিয়া:
কক্সবার্তা ডট কম।।
প্রতিবছর বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস আসলেই প্রশাসনের দুইদিন শহীদ মিনারের প্রতি দরদ বেড়ে এক হাজার ডিগ্রী অতিক্রম করে।নেয়া হয় রঙ্গ লাগানো লাইটিং করার উদ্যোগ।
অনুষ্ঠান শেষ! দরদও শেষ।
এর পর ১২মাস চলে মাদক ও গরু ছাগলের আড্ডা।এমনকি শহীদ মিনারে মল ত্যাগ,ও গরুর মল দিয়ে তৈরী করা লাকড়ি শুকানো সহ চলে অনেক অনৈতিক কাজ, জুতা নিয়ে উঠা বাদেই দিলাম।
এ নিয়ে চকরিয়ার যুবসমাজ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে কাজ না হওয়ায় এখন সেই তরুণরাই নিজ উদ্যোগে ১২মাস শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষা করার দিপ্ত শপথ করেন।চকরিয়ার কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠণ, স্বাধীন মঞ্চ,মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন,পীস ফাইন্ডার,চকরিয়া ব্লাড ব্যাংক সহ অনেকে শহীদ মিনারের এ অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।রীতিমত স্বাধীন মঞ্চের কর্মীদের সাথে বাংলাদেশমেইলের প্রতিবেদক শহীদ মিনার পরিস্কার করতে আসলে দেখেন এ অব্যাবস্থাপনা।শহীদ মিনারের বাম পাশে চকরিয়া সরকারী মহিলা কলেজ,ডান পাশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অফিস,এবং সামনে সেনা কেম্প ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ।
পাশেই দিনের বেলা দেখা যায় ময়লার স্তপ।এবং রাতের বেলা বসে মাদকের আড্ডা।এসময় কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন,স্বাধীনতার ঐতিহ্যবাহী চিহ্ন টি এভাবে প্রশাসনের অবহেলা ও তদারকি না থাকার কারণে এই পবিত্র জায়গাটি আজ সিদ্ধিখোর দের আড্ডা খানায় পরিনত হয়েছে।রাতের বেলায় লাইট ও পর্যাপ্ত নজরদারি করারও আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষ! দরদও শেষ।
এর পর ১২মাস চলে মাদক ও গরু ছাগলের আড্ডা।এমনকি শহীদ মিনারে মল ত্যাগ,ও গরুর মল দিয়ে তৈরী করা লাকড়ি শুকানো সহ চলে অনেক অনৈতিক কাজ, জুতা নিয়ে উঠা বাদেই দিলাম।
এ নিয়ে চকরিয়ার যুবসমাজ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে কাজ না হওয়ায় এখন সেই তরুণরাই নিজ উদ্যোগে ১২মাস শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষা করার দিপ্ত শপথ করেন।চকরিয়ার কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠণ, স্বাধীন মঞ্চ,মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন,পীস ফাইন্ডার,চকরিয়া ব্লাড ব্যাংক সহ অনেকে শহীদ মিনারের এ অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।রীতিমত স্বাধীন মঞ্চের কর্মীদের সাথে বাংলাদেশমেইলের প্রতিবেদক শহীদ মিনার পরিস্কার করতে আসলে দেখেন এ অব্যাবস্থাপনা।শহীদ মিনারের বাম পাশে চকরিয়া সরকারী মহিলা কলেজ,ডান পাশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অফিস,এবং সামনে সেনা কেম্প ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ।
পাশেই দিনের বেলা দেখা যায় ময়লার স্তপ।এবং রাতের বেলা বসে মাদকের আড্ডা।এসময় কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন,স্বাধীনতার ঐতিহ্যবাহী চিহ্ন টি এভাবে প্রশাসনের অবহেলা ও তদারকি না থাকার কারণে এই পবিত্র জায়গাটি আজ সিদ্ধিখোর দের আড্ডা খানায় পরিনত হয়েছে।রাতের বেলায় লাইট ও পর্যাপ্ত নজরদারি করারও আহ্বান জানান।
