এম. আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও:
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে সারাদিন সাংসারিক জীবনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও কর্মজীবী নারীরা পিছিয়ে নেই বললেই চলে।
তারা নিরন্তন সংগ্রামে কর্মমুখী জীবন কাটাতে ব্যস্ত। এমনকি কৃষি ক্ষেত্রে নারীরা অনেক বেশি পরিশ্রম করে থাকে। বাড়িঘরের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেওয়ার পরেও নানা শাক সবজি ফলন, কাপড় তৈরী করা, বাগান সৃজন ও পরিচর্যা সহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা নিরলস ভাবে হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যাচ্ছে অনবরত। জীবিকা নির্বাহের জন্য এখনো বৃহত্তর এলাকার গ্রামাঞ্চলের কর্মজীবী নারীরাই তাদের সংসারে হাল ধরে টিকিয়ে রয়েছে ।
লাকড়ি বোঝাই করে সংসার চালানোর মত কঠিন কাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কোন ক্ষেত্রে কম নয়। এরা প্রতিনিয়ত দূরবর্তী কোন না কোন পাহাড় থেকে লাকড়ি কেটে মাথায় করে বাড়ীতে এনে সেখান থেকে বাজারে নিয়ে যায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে। সে টাকা দিয়ে পরিবার পরিজনের জন্য দু'মুঠো খাবার যোগাড় করে। এরা হরদম নানা কাজকর্মে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকে।
সম্প্রতি কিছুদিন পূর্বে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ভোমরিয়াঘোনা সুইচ গেইট পয়েন্টে লাকড়ি বোঝাই কর্মজীবী বেশ কয়েকজন নারী বিশ্রামের সময় তাদের সাথে আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধির কথা হলে এসব কথা উঠে আসে। তারা জানান, প্রতিবার সরকারী সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত করে তাদেরকে।
পাশাপাশি পাহাড়ী এলাকাতেও নারী দিনের শুরুতে স্বামী-সন্তানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সময় দেওয়ার পরও বাগানের কাজের জন্য চলে যান উচু নিচু পাহাড়ে। সারাদিন কাজ করে পাহাড়ী তরি-তরকারী নিয়ে বিকালে বাড়ীতে পৌছে রান্না বান্নার কাজ সেরে এবং তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে দেখা যায়।
এভাবে প্রতিদিন কার জীবন যুদ্ধে টিকিয়ে নিয়েছেন পাহাড়ে বসবাসরত নারীরা। এদিকে কয়েক নারীর মতে, মূলত পুরুষের চেয়ে নারীরাও কাজেকর্মে কোন অংশে কম নয়।
এ প্রসঙ্গে সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ী এলাকার পাশাপাশি বৃহত্তর ঈদগাঁওর নানা গ্রামাঞ্চলের নারীরাও নানা কাজকর্মে খুব বেশি পারদর্শী। সেই হিসেবে পুরুষের তুলনায় শ্রম ও বেশি দেন নারীরা। তবে তারা শ্রমের দিক দিয়ে বৈষ্যমের স্বীকার হচ্ছে প্রায়শঃ।
তারা নিরন্তন সংগ্রামে কর্মমুখী জীবন কাটাতে ব্যস্ত। এমনকি কৃষি ক্ষেত্রে নারীরা অনেক বেশি পরিশ্রম করে থাকে। বাড়িঘরের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেওয়ার পরেও নানা শাক সবজি ফলন, কাপড় তৈরী করা, বাগান সৃজন ও পরিচর্যা সহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা নিরলস ভাবে হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যাচ্ছে অনবরত। জীবিকা নির্বাহের জন্য এখনো বৃহত্তর এলাকার গ্রামাঞ্চলের কর্মজীবী নারীরাই তাদের সংসারে হাল ধরে টিকিয়ে রয়েছে ।
লাকড়ি বোঝাই করে সংসার চালানোর মত কঠিন কাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কোন ক্ষেত্রে কম নয়। এরা প্রতিনিয়ত দূরবর্তী কোন না কোন পাহাড় থেকে লাকড়ি কেটে মাথায় করে বাড়ীতে এনে সেখান থেকে বাজারে নিয়ে যায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে। সে টাকা দিয়ে পরিবার পরিজনের জন্য দু'মুঠো খাবার যোগাড় করে। এরা হরদম নানা কাজকর্মে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকে।
সম্প্রতি কিছুদিন পূর্বে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ভোমরিয়াঘোনা সুইচ গেইট পয়েন্টে লাকড়ি বোঝাই কর্মজীবী বেশ কয়েকজন নারী বিশ্রামের সময় তাদের সাথে আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধির কথা হলে এসব কথা উঠে আসে। তারা জানান, প্রতিবার সরকারী সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত করে তাদেরকে।
পাশাপাশি পাহাড়ী এলাকাতেও নারী দিনের শুরুতে স্বামী-সন্তানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সময় দেওয়ার পরও বাগানের কাজের জন্য চলে যান উচু নিচু পাহাড়ে। সারাদিন কাজ করে পাহাড়ী তরি-তরকারী নিয়ে বিকালে বাড়ীতে পৌছে রান্না বান্নার কাজ সেরে এবং তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে দেখা যায়।
এভাবে প্রতিদিন কার জীবন যুদ্ধে টিকিয়ে নিয়েছেন পাহাড়ে বসবাসরত নারীরা। এদিকে কয়েক নারীর মতে, মূলত পুরুষের চেয়ে নারীরাও কাজেকর্মে কোন অংশে কম নয়।
এ প্রসঙ্গে সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ী এলাকার পাশাপাশি বৃহত্তর ঈদগাঁওর নানা গ্রামাঞ্চলের নারীরাও নানা কাজকর্মে খুব বেশি পারদর্শী। সেই হিসেবে পুরুষের তুলনায় শ্রম ও বেশি দেন নারীরা। তবে তারা শ্রমের দিক দিয়ে বৈষ্যমের স্বীকার হচ্ছে প্রায়শঃ।
