কক্সবার্তা ডেস্ক:
রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইট থেকে ৬ কেজি ৬৫ গ্রাম ওজনের ৫৭ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। ওমানের মাস্কাট থেকে আগত আরএক্স ৭২৪ নম্বর ফ্লাইটের ২৩-এ সিটের নিচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। আটক করা স্বর্ণের মূল্য প্রায় তিন কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার আগেই শুল্ক গোয়েন্দারা গোপন সংবাদ পান যে বিমানটিতে অবৈধ সোনা পাচার হচ্ছে। মাস্কাট থেকে আগত বিমানটি প্রথমে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রা বিরতি করে। পরে সকাল ৯টায় ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালান। পরে একটি সিটের নিচ থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
৫৭টি স্বর্ণবারের প্রতিটির ওজন হচ্ছে ১১৬ দশমিক ৬৫ গ্রাম। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃপক্ষের ঘোষিত ২১ ডিসেম্বর থেকে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই স্বর্ণ আটক করা হলো।
মইনুল খান আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণ চোরাচালানে অভ্যন্তরীণ কোনও সহায়তা ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরাচালানের পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটনে শুল্ক গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেছেন। আটক করা স্বর্ণ আপাতত ঢাকা কাস্টমস হাউস গুদামে রাখা হবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দেওয়া হবে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার আগেই শুল্ক গোয়েন্দারা গোপন সংবাদ পান যে বিমানটিতে অবৈধ সোনা পাচার হচ্ছে। মাস্কাট থেকে আগত বিমানটি প্রথমে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রা বিরতি করে। পরে সকাল ৯টায় ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালান। পরে একটি সিটের নিচ থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
৫৭টি স্বর্ণবারের প্রতিটির ওজন হচ্ছে ১১৬ দশমিক ৬৫ গ্রাম। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃপক্ষের ঘোষিত ২১ ডিসেম্বর থেকে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই স্বর্ণ আটক করা হলো।
মইনুল খান আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণ চোরাচালানে অভ্যন্তরীণ কোনও সহায়তা ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরাচালানের পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটনে শুল্ক গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেছেন। আটক করা স্বর্ণ আপাতত ঢাকা কাস্টমস হাউস গুদামে রাখা হবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দেওয়া হবে।
