স্পোর্টস বার্তা:
বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের পর টানা দুই ম্যাচে ৫ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন ডানহাতি অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার তাদের অভিষেক ম্যাচে ৫ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। তারা হলেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়, মানজারুল ইসলাম রানা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইলিয়াস সানী, সোহাগ গাজী ও তাইজুল ইসলাম। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের কেউই ৫ উইকেট নিতে না পারায় রেকর্ডটিতে শুধু মেহেদী হাসান মিরাজের নামটাই তালিকাভুক্ত হয়ে গেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন ঘটনা অনেক থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এটা প্রথম কোনও ঘটনা।
মেহেদী হাসান মিরাজ ইংলিশদের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার পর এবার ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসেও নিয়েছেন ৫ উইকেট। জাফর আনসারিকে শুভাগত হোমের তালুবন্দি করে সাজঘরের পথ ধরান মেহেদী হাসান।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে অভিষেক হয়েছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। ক্যারিয়ারে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে আছেন তিনি। তবে শনিবার নিজেকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মিরাজ। অভিষেকে পর পর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এমন বোলার হিসেবে বাংলাদেশের একজনই আছেন। যদিও পর পর তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের দুইজনের। একজন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, অন্যজন আরেক বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র।
শুক্রবার ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের শেষ বিকালে ইংলিশদের মেরুদন্ড ভেঙে দেন মেহেদী হাসান। অ্যলিস্টার কুক ও গ্যারি ব্যালান্সকে ফিরিয়ে দিয়ে দিনটি বাংলাদেশের করেন মেহেদী। শনিবার আরও চেপে ধরেন তিনি। দিনের তৃতীয় বলেই তুলে নেন মঈন আলীর উইকেটটি। স্ট্যাম্পের বলটি সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মঈন আলী (১০)।
এরপর প্রথম স্পেলে আরও ৩ ওভার বোলিং করেন। ১১ ওভারের প্রথম স্পেলে মিরাজের বোলিং ফিগার ছিল ১১-১-৪৪-৩। খরুচে হলেও বল হাতে চাপে রাখেন ইংলিশ বোলারদের। দারুণ লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে একই জায়গায় বল করে যেতে পেরেছেন তরুণ এই অলরাউন্ডার।
দ্বিতীয় বারের মতো মুশফিক বল তুলে দিলে আবারও বাংলাদেশকে উৎসবের উপলক্ষ্ এনে দেন তিনি। জো রুট ও জনি বেয়ারস্টোর ৪৫ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ।
জনি বেয়ারস্টোকে আউট করে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। স্ট্যাম্পের উপরের সোজা বল অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন বেয়ারস্টো, বলের জায়গায় ব্যাট না চালানোয় বল আঘাত করে প্যাডে। মিরাজের এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার ধর্মাসেনা আঙুল তুলতে ভুল করেননি।
৪ ওভার পরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। অভিষিক্ত জাফর আনসারিকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যচে দ্বিতীয় বারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান তিনি।
বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের পর টানা দুই ম্যাচে ৫ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন ডানহাতি অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার তাদের অভিষেক ম্যাচে ৫ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। তারা হলেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়, মানজারুল ইসলাম রানা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইলিয়াস সানী, সোহাগ গাজী ও তাইজুল ইসলাম। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের কেউই ৫ উইকেট নিতে না পারায় রেকর্ডটিতে শুধু মেহেদী হাসান মিরাজের নামটাই তালিকাভুক্ত হয়ে গেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন ঘটনা অনেক থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এটা প্রথম কোনও ঘটনা।
মেহেদী হাসান মিরাজ ইংলিশদের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার পর এবার ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসেও নিয়েছেন ৫ উইকেট। জাফর আনসারিকে শুভাগত হোমের তালুবন্দি করে সাজঘরের পথ ধরান মেহেদী হাসান।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে অভিষেক হয়েছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। ক্যারিয়ারে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে আছেন তিনি। তবে শনিবার নিজেকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মিরাজ। অভিষেকে পর পর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন এমন বোলার হিসেবে বাংলাদেশের একজনই আছেন। যদিও পর পর তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের দুইজনের। একজন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, অন্যজন আরেক বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র।
শুক্রবার ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের শেষ বিকালে ইংলিশদের মেরুদন্ড ভেঙে দেন মেহেদী হাসান। অ্যলিস্টার কুক ও গ্যারি ব্যালান্সকে ফিরিয়ে দিয়ে দিনটি বাংলাদেশের করেন মেহেদী। শনিবার আরও চেপে ধরেন তিনি। দিনের তৃতীয় বলেই তুলে নেন মঈন আলীর উইকেটটি। স্ট্যাম্পের বলটি সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মঈন আলী (১০)।
এরপর প্রথম স্পেলে আরও ৩ ওভার বোলিং করেন। ১১ ওভারের প্রথম স্পেলে মিরাজের বোলিং ফিগার ছিল ১১-১-৪৪-৩। খরুচে হলেও বল হাতে চাপে রাখেন ইংলিশ বোলারদের। দারুণ লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে একই জায়গায় বল করে যেতে পেরেছেন তরুণ এই অলরাউন্ডার।
দ্বিতীয় বারের মতো মুশফিক বল তুলে দিলে আবারও বাংলাদেশকে উৎসবের উপলক্ষ্ এনে দেন তিনি। জো রুট ও জনি বেয়ারস্টোর ৪৫ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ।
জনি বেয়ারস্টোকে আউট করে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। স্ট্যাম্পের উপরের সোজা বল অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন বেয়ারস্টো, বলের জায়গায় ব্যাট না চালানোয় বল আঘাত করে প্যাডে। মিরাজের এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার ধর্মাসেনা আঙুল তুলতে ভুল করেননি।
৪ ওভার পরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। অভিষিক্ত জাফর আনসারিকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যচে দ্বিতীয় বারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান তিনি।
