• Latest News

    রাজতন্ত্রের রাজা "ভূমিবল" আর নেই



     









    আন্তর্জাতিক বার্তা:
    বিশ্বের সবথেকে দীর্ঘ সময়ের রাজতন্ত্র ধরে রাখা থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল আদুল্যাদেজ-এর জীবনাবসান হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) থাই রাজপ্রাসাদের বরাত দিয়ে ৮৮ বছর বয়সী এই রাজার  মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
    বুধবার, রাজপ্রাসাদ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সিরিরাজ হাসপাতালে রাজা মহোদয়ের জীবনাবসান হয়।’ স্থানীয় সময় দুপুর ৩টা ৫২ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয় বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে। গত রবিবারই জানানো হয়েছিল, তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নেই।
    ১৯২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের কেমব্রিজে জন্মগ্রহণ করেন ভূমিবল। ১৯৪৬ সালে ভাইয়ের মৃত্যুর পর রাজা ভূমিবল মাত্র ১৮ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন। ১৭৮২ সাল থেকে ক্ষমতাসীন ও থাইল্যান্ডের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী চক্রি রাজবংশের নবম রাজা তিনি। থাইল্যান্ডের অধিকাংশ নাগরিকই তাকে মহারাজা হিসেবে সম্বোধন করে থাকেন। চলতি বছরের জুনে তার সিংহাসনে আরোহনের ৭০তম বার্ষিকী পালন করা হয়।
    থাইল্যান্ডের সদ্য প্রয়াত রাজা ভূমিবল আদুল্যাদেজকে ব্যাংককের সিরিরাজ হাসপাতাল থেকে গ্র্যান্ড প্যালেসে নিয়ে যাওয়ার পর ধর্মীয়ভাবে তাকে গোসল করানো হবে। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) এ ধর্মীয় আচারটি পালন করা হবে। এরপর তার মরদেহ ১০০ দিনের জন্য ওইভাবে শুইয়ে রাখা হবে এবং বড় আকারে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হবে। ওই শেষকৃত্য অনুষ্ঠান হতে এক বছর লেগে যেতে পারে। 
    থাই রাজপরিবারের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতেই কয়েক মাস সময় লেগে যায়। ২০০৮ সালে রাজা ভূমিবলের বোন যখন মারা যান তখনও ১০০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছিল। মৃত্যুর দশ মাস পর তার সৎকার করা হয়। থাইল্যান্ডের নিয়ম অনুযায়ী, শোককালীন সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী রাজার অভিষেক হয় না। রাজা ভূমিবলের উত্তরসূরী ৬৩ বছর বয়সী ক্রাউন প্রিন্স ভাজিরালংকর্ন। তবে বাবার মতো তিনি অতোটা জনপ্রিয় নন। অবশ্য রাজ উত্তরসূরী কিংবা রাজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খোলামেলা আলোচনাকে থাইল্যান্ডে কঠোর অপরাধ বলে বিবেচনা করা হয় এবং এর জন্য দীর্ঘ সাজা প্রদান করা হয়ে থাকে।
    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: রাজতন্ত্রের রাজা "ভূমিবল" আর নেই Rating: 5 Reviewed By: Unknown
    উপরে যান