বিদেশ বার্তা:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁস করেছে উইকিলিকস। ফাঁস হওয়া ইমেইল অ্যাকাউন্টটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি ব্যবহার করতেন। ইমেইল অ্যাকাউন্টটি থেকে মোট ৭টি মেইল ফাঁস করা হয়েছে।
অ্যাকাউন্টটি থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আদান-প্রদান করা হয়েছিল।
ফাঁস হওয়া ইমেইলের একটি ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বরের। ওবামাকে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা জন পডেস্টা। তাতে ১৫ নভেম্বর জি-২০ সম্মলনে ওবামাকে হাজির থাকতে নিষেধ করেছিলেন তিনি। কারণ ওই রাতেই নাকি ওবামাকে আমন্ত্রণ জানাবার কথা ছিল তৎকালীন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের।
তার কথা মেনেই জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেননি ওবামা। এই মেইলগুলি সামনে আসায় ফের নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর আগে ডেমোক্রেট দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের বেশ কিছু ইমেইল প্রকাশ করে উইকিলিকস। ওবামার মতো হিলারির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বেও রয়েছেন জন পডেস্টা। তার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ২৩ হাজার চিঠি চুরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
দুটি ঘটনাতেই রাশিয়ার যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। তবে ইমেইল বিতর্কে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ওবামার নাম সামনে আসার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁস করেছে উইকিলিকস। ফাঁস হওয়া ইমেইল অ্যাকাউন্টটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি ব্যবহার করতেন। ইমেইল অ্যাকাউন্টটি থেকে মোট ৭টি মেইল ফাঁস করা হয়েছে।
অ্যাকাউন্টটি থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আদান-প্রদান করা হয়েছিল।
ফাঁস হওয়া ইমেইলের একটি ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বরের। ওবামাকে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা জন পডেস্টা। তাতে ১৫ নভেম্বর জি-২০ সম্মলনে ওবামাকে হাজির থাকতে নিষেধ করেছিলেন তিনি। কারণ ওই রাতেই নাকি ওবামাকে আমন্ত্রণ জানাবার কথা ছিল তৎকালীন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের।
তার কথা মেনেই জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেননি ওবামা। এই মেইলগুলি সামনে আসায় ফের নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর আগে ডেমোক্রেট দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের বেশ কিছু ইমেইল প্রকাশ করে উইকিলিকস। ওবামার মতো হিলারির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বেও রয়েছেন জন পডেস্টা। তার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ২৩ হাজার চিঠি চুরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
দুটি ঘটনাতেই রাশিয়ার যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। তবে ইমেইল বিতর্কে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ওবামার নাম সামনে আসার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস।
