কক্সবার্তা ডেস্ক:
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিরোধী দলে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কাউন্সিলে দেশবাসীর প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হবে তা সময়ই বলে দেবে।
শনিবার বিকালে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যে দল ৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল গণসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়েছিল, সে দলটি সরকারে থাকার জন্য এখন গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। তাদের ২০০ কোটি টাকার কাউন্সিলে দেশবাসীর প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হবে তা সময়ই বলে দেবে।
তিনি বলেন, কাউন্সিল করার জন্য বিএনপিকে ৪৮ ঘণ্টা আগে অনুমতি দেয়া হলেও আওয়ামী লীগ দুইমাস ধরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দখল করে কাউন্সিলের প্রস্তুতি নেয়। এটি গণতন্ত্র হতে পারে না।
গয়েশ্বর বলেন, সারাদেশে যখন বিদ্যুৎ নেই, তখন ঢাকা শহরের নর্দমা থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোকসজ্জা করে সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীর সাথে তামাশা করেছে সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী আজ কারাগারে আটক। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কারাগার পর্যন্ত যেতে পারবে কি-না তা শেখ হাসিনাকে ভাবতে হবে।
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীনের সভাপতিত্বে সভার আরো বক্তৃতা করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দিলদার হোসেন সেলিম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ এমরান, ইসলাম তরফদার তনু, এসএম বজলুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ, ফরহাদ হোসেন বকুল প্রমুখ।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিরোধী দলে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কাউন্সিলে দেশবাসীর প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হবে তা সময়ই বলে দেবে।
শনিবার বিকালে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যে দল ৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল গণসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়েছিল, সে দলটি সরকারে থাকার জন্য এখন গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। তাদের ২০০ কোটি টাকার কাউন্সিলে দেশবাসীর প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হবে তা সময়ই বলে দেবে।
তিনি বলেন, কাউন্সিল করার জন্য বিএনপিকে ৪৮ ঘণ্টা আগে অনুমতি দেয়া হলেও আওয়ামী লীগ দুইমাস ধরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দখল করে কাউন্সিলের প্রস্তুতি নেয়। এটি গণতন্ত্র হতে পারে না।
গয়েশ্বর বলেন, সারাদেশে যখন বিদ্যুৎ নেই, তখন ঢাকা শহরের নর্দমা থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোকসজ্জা করে সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীর সাথে তামাশা করেছে সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী আজ কারাগারে আটক। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কারাগার পর্যন্ত যেতে পারবে কি-না তা শেখ হাসিনাকে ভাবতে হবে।
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীনের সভাপতিত্বে সভার আরো বক্তৃতা করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দিলদার হোসেন সেলিম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ এমরান, ইসলাম তরফদার তনু, এসএম বজলুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ, ফরহাদ হোসেন বকুল প্রমুখ।
