দেশ বার্তা:
বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রীর কাছে নেশার টাকা না পেয়ে ১০ বছর বয়সী একমাত্র শিশুপুত্র দুর্জয়কে কুপিয়ে হত্যা করায় দায়ে বিধান চন্দ্র সরকার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আ. ম. মো. সাঈদ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দারুগ্রামের সাঁওতাল মৃত শিরিস চন্দ্র সরকারের ছেলে বিধান চন্দ্র সরকার প্রায় ১৪ বছর আগে পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা কুসুম্বী গ্রামের মৃত মংলার মেয়ে আগমনী সরকারকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে একমাত্র সন্তান দুর্জয় জন্ম নেয়। মাদকাসক্ত বিধান আগে কৃষিকাজ করলেও পরবর্তীতে বেকার হয়ে যায়। স্ত্রী আগমনী প্রতিবেশি বিশ্বনাথের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতেন। ওই বেতন দিয়ে সংসার ও স্বামীর মাদকের খরচ বহন করতেন। কোনওদিন টাকা না দিলে সে (স্বামী) আগমনী ও ছেলে দুর্জয়কে মারধোর করতো।
২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট সকালে বিধান নেশার টাকা চাইলে আগমনী অস্বীকৃতি জানান। তিনি ঝিয়ের কাজ করতে গেলে বিধান ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলে দুর্জয়কে হত্যা করে। কিছুক্ষণ পর আগমনী বাড়িতে এসে ঘরের মেঝেতে ছেলের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। পালানোর চেষ্টা করলে জনগণ বিধানকে আটক করে পুলিশে দেন। আগমনী শেরপুর থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
আদালত শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। হাজত বাসের সময় দণ্ডের মধ্যে থেকে বাদ যাবে। সরকার পক্ষে পিপি আবদুল মতিন ও আসামী পক্ষে জেলা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী আবদুল মোত্তালেব-৩ মামলা পরিচালনা করেন।
বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রীর কাছে নেশার টাকা না পেয়ে ১০ বছর বয়সী একমাত্র শিশুপুত্র দুর্জয়কে কুপিয়ে হত্যা করায় দায়ে বিধান চন্দ্র সরকার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আ. ম. মো. সাঈদ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দারুগ্রামের সাঁওতাল মৃত শিরিস চন্দ্র সরকারের ছেলে বিধান চন্দ্র সরকার প্রায় ১৪ বছর আগে পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা কুসুম্বী গ্রামের মৃত মংলার মেয়ে আগমনী সরকারকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে একমাত্র সন্তান দুর্জয় জন্ম নেয়। মাদকাসক্ত বিধান আগে কৃষিকাজ করলেও পরবর্তীতে বেকার হয়ে যায়। স্ত্রী আগমনী প্রতিবেশি বিশ্বনাথের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতেন। ওই বেতন দিয়ে সংসার ও স্বামীর মাদকের খরচ বহন করতেন। কোনওদিন টাকা না দিলে সে (স্বামী) আগমনী ও ছেলে দুর্জয়কে মারধোর করতো।
২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট সকালে বিধান নেশার টাকা চাইলে আগমনী অস্বীকৃতি জানান। তিনি ঝিয়ের কাজ করতে গেলে বিধান ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলে দুর্জয়কে হত্যা করে। কিছুক্ষণ পর আগমনী বাড়িতে এসে ঘরের মেঝেতে ছেলের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। পালানোর চেষ্টা করলে জনগণ বিধানকে আটক করে পুলিশে দেন। আগমনী শেরপুর থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
আদালত শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। হাজত বাসের সময় দণ্ডের মধ্যে থেকে বাদ যাবে। সরকার পক্ষে পিপি আবদুল মতিন ও আসামী পক্ষে জেলা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী আবদুল মোত্তালেব-৩ মামলা পরিচালনা করেন।
