স্পোর্টস বার্তা:
মিরপুরে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৭২ রান। আর ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৭৩ রান। এশিয়াতে এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই চতুর্থ ইনিংসে সর্বাধিক ২০৯ রান সফলভাবে তাড়া করেছিল ইংলিশরা। সেই হিসেবে এই রান তাড়া করতে হলে এশিয়ায় তাদের নতুন রেকর্ডই গড়তে হবে।!
তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালোই করেছিলেন ওপেনার ইমরুল ও সাকিব। এই জুটিতেই লিড ছাড়ায় ১৫০, এরপর ১৭৬। এক পর্যায়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছিলো এই জুটি। কিন্তু ৪৫.১ ওভারে মঈন আলীর বলে সেই ধারাবাহিকতা রাখতে পারেননি ইমরুল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে লেগ বিফোর হয়ে বিদায় নেন তিনি। যদিও ৭৪ রানে বেঁচে গিয়েছিলেন ইমরুল। তার ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি জো রুট।
ক্যাচ মিসের ঘটনা ঘটেছে আরও। আনসারির ৪৯তম ওভারে ডিপ মিড উইকেটে স্লগ সুইপ করেছিলেন সাকিব। কিন্তু জায়গায় দাঁড়ানো বেন ডাকেট সেই ক্যাচ ধরতে পারেননি। একই ওভারে পরের বলে মুশফিকের এলবির আবেদন হয়েছিল। কুমার ধর্মসেনা আউট না দিলেও রিভিউ নেয় ইংল্যান্ড। তাতেও সফল হয়নি সফরকারীরা। এর মাঝেই পঞ্চম উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়েন সাকিব ও মুশফিক। এই সময়েই হাফসেঞ্চুরির দিকে যাচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু ৫৪.৫ ওভারে আদিল রশিদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ৪১ রানে। পরের ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক মুশফিকও (৯)। স্টোকসের বলে ব্যাটের কানায় লাগা বল তালুবন্দী করেন স্লিপে থাকা অ্যালিস্টার কুক।
এরপর দ্রুত গতিতে রান তোলার চেষ্টায় থাকেন সাব্বির রহমান (১৫)। মনোযোগ হারিয়ে রশিদের ৬০.৩ ওভারে এলবিডব্লু হয়ে ফিরে যেতে হয় তাকে। এরপরেই মধ্যাহ্ন ভোজনে যায় বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মধ্যাহ্ন ভোজনে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৬৮ রান।
বিরতি থেকে ফিরলে আবারও উইকেটের পতন ঘটে স্বাগতিকদের। আঘাত হানেন স্টোকস। ৫ রানে ফেরেন তাইজুল। আসা যাওয়ার মিছিলে এরপরে যুক্ত হয় অলরাউন্ডার মিরাজের নাম। রশিদের বলেই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ২ রানে। এরপর কিছুক্ষণ দৃষ্টিনন্দন শট খেলে স্কোর বোর্ড সমৃদ্ধ করতে থাকেন শুভাগত ও রাব্বি। তবে দলীয় ২৯৬ রানে আদিল রশিদ রাব্বিকে তালুবন্দী করলে এখানেই শেষ হয় টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে খেলতে নামে স্বাগতিকরা। আগের দিন শেষ বলে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করে ফেরেন ৪৭ রানে।
এই টেস্টে টস জিতে প্রথম ইনিংসে ২২০ রান সংগ্রহ করে মুশফিক বাহিনী। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৪৪ রান করে ২৪ রানের লিড নেয় সফরকারীরা।
মিরপুরে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৭২ রান। আর ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৭৩ রান। এশিয়াতে এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই চতুর্থ ইনিংসে সর্বাধিক ২০৯ রান সফলভাবে তাড়া করেছিল ইংলিশরা। সেই হিসেবে এই রান তাড়া করতে হলে এশিয়ায় তাদের নতুন রেকর্ডই গড়তে হবে।!
তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালোই করেছিলেন ওপেনার ইমরুল ও সাকিব। এই জুটিতেই লিড ছাড়ায় ১৫০, এরপর ১৭৬। এক পর্যায়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছিলো এই জুটি। কিন্তু ৪৫.১ ওভারে মঈন আলীর বলে সেই ধারাবাহিকতা রাখতে পারেননি ইমরুল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে লেগ বিফোর হয়ে বিদায় নেন তিনি। যদিও ৭৪ রানে বেঁচে গিয়েছিলেন ইমরুল। তার ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি জো রুট।
ক্যাচ মিসের ঘটনা ঘটেছে আরও। আনসারির ৪৯তম ওভারে ডিপ মিড উইকেটে স্লগ সুইপ করেছিলেন সাকিব। কিন্তু জায়গায় দাঁড়ানো বেন ডাকেট সেই ক্যাচ ধরতে পারেননি। একই ওভারে পরের বলে মুশফিকের এলবির আবেদন হয়েছিল। কুমার ধর্মসেনা আউট না দিলেও রিভিউ নেয় ইংল্যান্ড। তাতেও সফল হয়নি সফরকারীরা। এর মাঝেই পঞ্চম উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়েন সাকিব ও মুশফিক। এই সময়েই হাফসেঞ্চুরির দিকে যাচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু ৫৪.৫ ওভারে আদিল রশিদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ৪১ রানে। পরের ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক মুশফিকও (৯)। স্টোকসের বলে ব্যাটের কানায় লাগা বল তালুবন্দী করেন স্লিপে থাকা অ্যালিস্টার কুক।
এরপর দ্রুত গতিতে রান তোলার চেষ্টায় থাকেন সাব্বির রহমান (১৫)। মনোযোগ হারিয়ে রশিদের ৬০.৩ ওভারে এলবিডব্লু হয়ে ফিরে যেতে হয় তাকে। এরপরেই মধ্যাহ্ন ভোজনে যায় বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মধ্যাহ্ন ভোজনে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৬৮ রান।
বিরতি থেকে ফিরলে আবারও উইকেটের পতন ঘটে স্বাগতিকদের। আঘাত হানেন স্টোকস। ৫ রানে ফেরেন তাইজুল। আসা যাওয়ার মিছিলে এরপরে যুক্ত হয় অলরাউন্ডার মিরাজের নাম। রশিদের বলেই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ২ রানে। এরপর কিছুক্ষণ দৃষ্টিনন্দন শট খেলে স্কোর বোর্ড সমৃদ্ধ করতে থাকেন শুভাগত ও রাব্বি। তবে দলীয় ২৯৬ রানে আদিল রশিদ রাব্বিকে তালুবন্দী করলে এখানেই শেষ হয় টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে খেলতে নামে স্বাগতিকরা। আগের দিন শেষ বলে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করে ফেরেন ৪৭ রানে।
এই টেস্টে টস জিতে প্রথম ইনিংসে ২২০ রান সংগ্রহ করে মুশফিক বাহিনী। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৪৪ রান করে ২৪ রানের লিড নেয় সফরকারীরা।
