বিদেশ বার্তা:
নারকীয়; পাশবিক; কোন বিশেষণেই বুঝানো যাবেনা এ এমন এক নিষ্ঠুরতা!!! মোসুলে পরিত্যক্ত ঘাঁটি থেকে তথ্যপ্রমাণ নিশ্চিহ্ণ করতে বেছেবেছে শিশুদের প্রাণ নিচ্ছে আই এস জঙ্গিরা।
উত্তর ইরাকের এই শহর ছিল আই এস-এর প্রধান ঘাঁটি। ইরাকি সেনা এবং যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে সেখান থেকে ক্রমশ পিছু হঠছে তারা। ফেলে যাচ্ছে তাদের অসংখ্য গুপ্ত ঘাঁটি। তাড়াহুড়োয় তাদের সমস্ত তথ্য এবং নথিপত্র নষ্ট করে যেতে পারছে না তারা। তাই নির্মম এক রাস্তা বেছে নিয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা। খেলনা গাড়ি, টেডিবিয়ারের মতো লোভনীয় সামগ্রীর মধ্যে বোমা ভরে পরিত্যক্ত ঘাঁটির আশপাশে ফেলে যাচ্ছে তারা। সেসব দেখে শিশুরা সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে। হাত দিলেই ঘটছে বিস্ফোরণ। আর তাতেই গুঁড়িয়ে যাচ্ছে পরিত্যক্ত ঘাঁটি।
কেন অন্য কোনও জিনিসে বোমা রাখছে না তারা? ইরাকি সেনার গোয়েন্দারা বলছেন, 'আমাদের সৈন্যরা এই ধরনের বিপদ আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিল। তাই মোসুল এবং মোসুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সাতর্ক করে এসেছে, যাতে কেউ কোনও পরিত্যক্ত বস্তুতে হাত না দেন। কিন্তু শিশুদের গতিবিধি তো সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। বিশেষত খেলনা দেখলে তারাও লোভ সামলাতে পারে না। আই এস তাই নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে শিশুদের মারতেও দ্বিধা করছে না।' ওই কর্তার দাবি, পরিস্থিতি ক্রমশই তাঁদের অনুকূলে আসছে। তিনি বলেন, 'মোসুল দখল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ওদের পরাজয় যে নিশ্চিত, সেটা আই এস জঙ্গিরা নিজেও বুঝতে পেরেছে। সেই কারণেই পাল্টা লড়াই না করে পালানোর রাস্তা বেছে নিয়েছে ওরা।'
নারকীয়; পাশবিক; কোন বিশেষণেই বুঝানো যাবেনা এ এমন এক নিষ্ঠুরতা!!! মোসুলে পরিত্যক্ত ঘাঁটি থেকে তথ্যপ্রমাণ নিশ্চিহ্ণ করতে বেছেবেছে শিশুদের প্রাণ নিচ্ছে আই এস জঙ্গিরা।
উত্তর ইরাকের এই শহর ছিল আই এস-এর প্রধান ঘাঁটি। ইরাকি সেনা এবং যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে সেখান থেকে ক্রমশ পিছু হঠছে তারা। ফেলে যাচ্ছে তাদের অসংখ্য গুপ্ত ঘাঁটি। তাড়াহুড়োয় তাদের সমস্ত তথ্য এবং নথিপত্র নষ্ট করে যেতে পারছে না তারা। তাই নির্মম এক রাস্তা বেছে নিয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা। খেলনা গাড়ি, টেডিবিয়ারের মতো লোভনীয় সামগ্রীর মধ্যে বোমা ভরে পরিত্যক্ত ঘাঁটির আশপাশে ফেলে যাচ্ছে তারা। সেসব দেখে শিশুরা সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে। হাত দিলেই ঘটছে বিস্ফোরণ। আর তাতেই গুঁড়িয়ে যাচ্ছে পরিত্যক্ত ঘাঁটি।
কেন অন্য কোনও জিনিসে বোমা রাখছে না তারা? ইরাকি সেনার গোয়েন্দারা বলছেন, 'আমাদের সৈন্যরা এই ধরনের বিপদ আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিল। তাই মোসুল এবং মোসুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সাতর্ক করে এসেছে, যাতে কেউ কোনও পরিত্যক্ত বস্তুতে হাত না দেন। কিন্তু শিশুদের গতিবিধি তো সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। বিশেষত খেলনা দেখলে তারাও লোভ সামলাতে পারে না। আই এস তাই নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে শিশুদের মারতেও দ্বিধা করছে না।' ওই কর্তার দাবি, পরিস্থিতি ক্রমশই তাঁদের অনুকূলে আসছে। তিনি বলেন, 'মোসুল দখল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ওদের পরাজয় যে নিশ্চিত, সেটা আই এস জঙ্গিরা নিজেও বুঝতে পেরেছে। সেই কারণেই পাল্টা লড়াই না করে পালানোর রাস্তা বেছে নিয়েছে ওরা।'
