এমনিতে নিজের রেকর্ড-অজন নিয়ে খুব বেশি মাথা কখনোই ঘামান না সাকিব। বিশ্ব ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটেই সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার নজির গড়েও যেমন উচ্ছ্বাসে ভেসে যাওয়া নেই। শোনালেন আরও বড় স্বপ্নের কথা।
“যদি রান ও উইকেট দুটিতেই তিন ফরম্যাটে সবার ওপরে থাকতাম, তাহলে অনেক বড় অর্জন মনে হতো। এক সময় তো দুইটাতে আমিই সর্বোচ্চ ছিলাম রানে। গত ১ বছরে ওরা এত ভালো খেলছে যে আমি ৩০-৪০ রানের বেশি করার সুযোগ পাইনি। তবে সুযোগ আছে। দেখা যাক, ক্যারিয়ার শেষ হতে হতে কোন অবস্থায় যাই…!”
ব্যাটে-বলে তিন ফরম্যাটেই সেরা হওয়া এমনিতে অবিশ্বাস্য শোনাতে পারে। তবে সাকিবের জন্য সেটা করতে পারাটা কিন্তু অসম্ভব কিছু নয়। টেস্টে ২ হাজার ৮২৩ রান নিয়ে এখন তিনি আছেন তিনে। ৩ হাজার ২৬ রান হাবিবুল বাশারের, তামিম ইকবালের রান ৩ হাজার ১১৮।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তামিমের ঠিক পরেই সাকিব। ওয়ানডেতে তামিমের (৪ হাজার ৭৯৩) থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই সাকিব (৪ হাজার ৪৪৬)। টি-টোয়েন্টিতে তো দুজন একদমই পিঠেপিঠি, তামিমের রান ১ হাজার ১৫৪, সাকিবের ১ হাজার ১০৩।
তিন ফরম্যাটেই রানে সবার ওপরে ওঠা তাই ধরাছোঁয়ার বাইরে নয়। উইকেটে টেস্টে ও টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের ধারেকাছে কেউ নেই। ওয়ানডেতে মাশরাফি খুব কাছে থাকলেও ক্যারিয়ারের বাস্তবতায় একসময় সাকিব অনেকটা এগিয়ে যাবেন নিশ্চিত ভাবেই। সাকিবের স্বপ্ন পূরণ হওয়া তাই খুবই সম্ভব!
তবে আদতে রেকর্ডের চেয়ে দলের হয়ে অবদান রাখাই যে তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা জানিয়ে দিলেন আরও একবার।
“আশা করি, আমরা এভাবে অবদান রেখে যেতে থাকব। আমি, তামিম, মুশফিক ভাই, আমাদের তিন জনেরই তিন ফরম্যাটে অনেক রান করা আছে। আশা করি, যত দিনই খেলি, বাংলাদেশের হয়ে তিন জন এভাবেই আরও আরও অবদান রাখতে থাকব।”
“আল্টিমেটলি কেউ সামনে থাকবে, কেউ সেকেন্ড হবে, কেউ থার্ড; ওসব নিয়ে আমার ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের জন্য অবদান রাখতে পারা।”
“যদি রান ও উইকেট দুটিতেই তিন ফরম্যাটে সবার ওপরে থাকতাম, তাহলে অনেক বড় অর্জন মনে হতো। এক সময় তো দুইটাতে আমিই সর্বোচ্চ ছিলাম রানে। গত ১ বছরে ওরা এত ভালো খেলছে যে আমি ৩০-৪০ রানের বেশি করার সুযোগ পাইনি। তবে সুযোগ আছে। দেখা যাক, ক্যারিয়ার শেষ হতে হতে কোন অবস্থায় যাই…!”
ব্যাটে-বলে তিন ফরম্যাটেই সেরা হওয়া এমনিতে অবিশ্বাস্য শোনাতে পারে। তবে সাকিবের জন্য সেটা করতে পারাটা কিন্তু অসম্ভব কিছু নয়। টেস্টে ২ হাজার ৮২৩ রান নিয়ে এখন তিনি আছেন তিনে। ৩ হাজার ২৬ রান হাবিবুল বাশারের, তামিম ইকবালের রান ৩ হাজার ১১৮।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তামিমের ঠিক পরেই সাকিব। ওয়ানডেতে তামিমের (৪ হাজার ৭৯৩) থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই সাকিব (৪ হাজার ৪৪৬)। টি-টোয়েন্টিতে তো দুজন একদমই পিঠেপিঠি, তামিমের রান ১ হাজার ১৫৪, সাকিবের ১ হাজার ১০৩।
তিন ফরম্যাটেই রানে সবার ওপরে ওঠা তাই ধরাছোঁয়ার বাইরে নয়। উইকেটে টেস্টে ও টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের ধারেকাছে কেউ নেই। ওয়ানডেতে মাশরাফি খুব কাছে থাকলেও ক্যারিয়ারের বাস্তবতায় একসময় সাকিব অনেকটা এগিয়ে যাবেন নিশ্চিত ভাবেই। সাকিবের স্বপ্ন পূরণ হওয়া তাই খুবই সম্ভব!
তবে আদতে রেকর্ডের চেয়ে দলের হয়ে অবদান রাখাই যে তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা জানিয়ে দিলেন আরও একবার।
“আশা করি, আমরা এভাবে অবদান রেখে যেতে থাকব। আমি, তামিম, মুশফিক ভাই, আমাদের তিন জনেরই তিন ফরম্যাটে অনেক রান করা আছে। আশা করি, যত দিনই খেলি, বাংলাদেশের হয়ে তিন জন এভাবেই আরও আরও অবদান রাখতে থাকব।”
“আল্টিমেটলি কেউ সামনে থাকবে, কেউ সেকেন্ড হবে, কেউ থার্ড; ওসব নিয়ে আমার ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের জন্য অবদান রাখতে পারা।”