মোঃ নজরুল ইসলাম::
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবাজারের বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁওতে একটি মহৎ ও অনুকরণীয় কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। নির্মাণাধীন জনগুরুত্বপুর্ণ শাহজাহান চৌধুরী লুতুমিয়া সড়ক তথা জাগির পাড়া সড়কের দীর্ঘদিনের স্তুপিকৃত ময়লা আবর্জনা অপসারণ করে সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
সরেজমিন দেখা গেছে, উক্ত সড়কটি ঈদগাঁও বাজারের ডিসি সড়কের একমাত্র বিকল্প সড়ক। আশেপাশের কয়েকটি ছোটবড় শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। গত কয়েকমাস যাবত সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কার করা হচ্ছে।
ঈদগাঁও ডিসি রোড থেকে গরুর বাজার পর্যন্ত এ সড়কে বালি, কংকর ও ইট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বাকী রয়েছে কেবল কার্পেটিং কাজ। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, উক্ত সড়কের ঈদগাঁও টিএএন্ডটি অফিস সংলগ্ন স্থানে বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ও অন্যান্য অলিগলির ময়লা আবর্জনা এনে ফেলা হয়।
কেউ দিনে আবার কেউ রাতে চুরি করে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত এ কাজ করে আসছে। মাঝেমধ্যে সচেতন কেউ প্রতিবাদ করলেও তা হালে পানি পায়নি। অন্যদিকে এতে স্থানীয় একাধিক বিপনী বিতানের দোকানদার, ব্যবসায়ী, হাসপাতাল, খাদ্য ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়।
যা সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী, দোকানদারসহ সব মহলের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠছিল। কে শোনে কার কথা- দীর্ঘ এ অবস্থার পর অবশেষে ভূক্তভোগী কয়েকজন ব্যবসায়ী সড়কটি আবর্জনামুক্ত করতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেয়ায় স্থানীয়রা তাদের সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এ উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছে ভাই ভাই বরফমিল সত্ত্বাধিকারী নুরুল আলম সওদাগর, ফয়সাল এন্ড ব্রাদার্সের মালিক মাস্টার মোবারক হোসেন, হাবিব মেডিকোর পরিচালক হাবিব উল্লাহ এবং পান বিতানের সত্ত্বাধিকারী মিজানুর রহমান।
উদ্যোক্তারা জানান, সড়কটি ময়লা-আবর্জনামুক্ত করতে এ পর্যন্ত তারা ৩/৪ হাজার টাকা খরচ করেছেন। ব্যক্তিগত খরচে কয়েকদিন ধরে তারা শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। রাস্তা দূষণ, চলাচলে ভোগান্তি লাঘবে তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁদের উদ্যোগে পুরনো গাছ ও টিন দিয়ে টিএন্ডটির দেয়ালের উপর বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে যা শামসুল আলমের চনামুড়ির দোকান পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে। এদিকে এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা।
সরেজমিন দেখা গেছে, উক্ত সড়কটি ঈদগাঁও বাজারের ডিসি সড়কের একমাত্র বিকল্প সড়ক। আশেপাশের কয়েকটি ছোটবড় শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। গত কয়েকমাস যাবত সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কার করা হচ্ছে।
ঈদগাঁও ডিসি রোড থেকে গরুর বাজার পর্যন্ত এ সড়কে বালি, কংকর ও ইট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বাকী রয়েছে কেবল কার্পেটিং কাজ। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, উক্ত সড়কের ঈদগাঁও টিএএন্ডটি অফিস সংলগ্ন স্থানে বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ও অন্যান্য অলিগলির ময়লা আবর্জনা এনে ফেলা হয়।
কেউ দিনে আবার কেউ রাতে চুরি করে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত এ কাজ করে আসছে। মাঝেমধ্যে সচেতন কেউ প্রতিবাদ করলেও তা হালে পানি পায়নি। অন্যদিকে এতে স্থানীয় একাধিক বিপনী বিতানের দোকানদার, ব্যবসায়ী, হাসপাতাল, খাদ্য ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়।
যা সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী, দোকানদারসহ সব মহলের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠছিল। কে শোনে কার কথা- দীর্ঘ এ অবস্থার পর অবশেষে ভূক্তভোগী কয়েকজন ব্যবসায়ী সড়কটি আবর্জনামুক্ত করতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেয়ায় স্থানীয়রা তাদের সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এ উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছে ভাই ভাই বরফমিল সত্ত্বাধিকারী নুরুল আলম সওদাগর, ফয়সাল এন্ড ব্রাদার্সের মালিক মাস্টার মোবারক হোসেন, হাবিব মেডিকোর পরিচালক হাবিব উল্লাহ এবং পান বিতানের সত্ত্বাধিকারী মিজানুর রহমান।
উদ্যোক্তারা জানান, সড়কটি ময়লা-আবর্জনামুক্ত করতে এ পর্যন্ত তারা ৩/৪ হাজার টাকা খরচ করেছেন। ব্যক্তিগত খরচে কয়েকদিন ধরে তারা শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। রাস্তা দূষণ, চলাচলে ভোগান্তি লাঘবে তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁদের উদ্যোগে পুরনো গাছ ও টিন দিয়ে টিএন্ডটির দেয়ালের উপর বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে যা শামসুল আলমের চনামুড়ির দোকান পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে। এদিকে এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা।
